বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান: রাষ্ট্রের ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো মেরামতের আহ্বান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান: রাষ্ট্রের ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো মেরামতের আহ্বান
ঢাকা, ২২ মার্চ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দেশের সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের মুখে পড়েছিল। এখন এসব প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘কিভাবে জন-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে হবে, সে বিষয়ে আমাদের আলোচনা করতে হবে।’
গতকাল রবিবার বিকেলে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে পুরানা পল্টনের হোটেল ফার্সে জাতীয়তাবাদী সমমনা দলের উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি অন্যান্য রাজনৈতিক দল নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা সবাই বিশ্বাস করি, যেসব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হয়েছে, সেগুলো আমাদেরই মেরামত করতে হবে। এই ধ্বংসপ্রাপ্ত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামত করতেই ৩১ দফা প্রণয়ন করা হয়েছিল।’
রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আসুন, জনগণের দাবি নিয়ে আমরা আলোচনা শুরু করি। জনগণের প্রত্যাশা কী, তাদের চাওয়া-পাওয়া কী, সে বিষয়ে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোকে একসঙ্গে বসে আলোচনা করতে হবে। কারণ জনগণই আমাদের রাজনীতির মূল ভিত্তি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রাজনৈতিক দলগুলো পলাতক স্বৈরাচার হটাতে রাজপথে ছিলাম। একসঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলাম। মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, বাকস্বাধীনতা, অর্থনৈতিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আমরা সংগ্রামে ছিলাম। সেই দলগুলো একসঙ্গে বসে আলোচনা করে দুই-আড়াই বছর আগে ৩১ দফা জাতির সামনে উপস্থাপন করেছিল।’
তারেক রহমান অভিযোগ করেন, ‘পলাতক স্বৈরাচার দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সিভিল প্রশাসন, পুলিশ, বিদ্যুৎ খাতসহ সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। এ কারণেই রাষ্ট্র মেরামতের জন্য ৩১ দফা দেওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রের কাঠামো পুনর্গঠনে ব্যর্থ হলে দেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে না।’
অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী সমমনা দলের সমন্বয়ক এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, জামায়াতে ইসলামীর মো. কামাল হোসেন, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, সাম্যবাদী দলের সৈয়দ নুরুল ইসলাম, জেএসডির শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, জাগপার খন্দকার লুত্ফুর রহমান, গণ অধিকারের ফারুক হাসান, গণদলের এ টি এম গোলাম মওলা চৌধুরী, এনডিপির আবু তাহের, বাংলাদেশ ন্যাপের এম এন শাওন সাদেকী, মুসলিম লীগের নাসিম খান, ডিএলের খোকন চন্দ্র দাশ প্রমুখ।