মোটরসাইকেলের আমদানি শুল্ক কমালো ভারত, ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া কী?

মোটরসাইকেলের আমদানি শুল্ক কমালো ভারত, ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া কী?
ডেস্ক: ভারতে মোটরসাইকেলের আমদানি শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৬০০ সিসির বেশি হেভিওয়েট মোটরসাইকেলের আমদানি শুল্ক ৫০% থেকে কমিয়ে ৩০% করা হয়েছে। অন্যদিকে, ছোট মোটরসাইকেলের শুল্ক ৫০% থেকে কমিয়ে ৪০% নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের এই সিদ্ধান্ত মার্কিন মোটরসাইকেল কোম্পানি হার্লে ডেভিডসন-এর জন্য বিশেষভাবে উপকারী হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নত করার কৌশলের অংশ হিসেবেই এই শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নত করার কৌশল?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবরই ভারতের উচ্চ আমদানি শুল্ক নিয়ে সমালোচনা করে এসেছেন। হার্লে ডেভিডসন মোটরসাইকেলের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক বসানো নিয়ে ট্রাম্প একাধিকবার ভারতকে কটাক্ষ করেছেন এবং শুল্ক কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ভারতের এই পদক্ষেপ মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য চাপ এড়ানোর একটি কৌশল।
ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে?
ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকান পণ্যের জন্য সহজ বাজার নিশ্চিত করতে সবসময়ই আগ্রহী। তবে ভারত যে পরিমাণ শুল্ক কমিয়েছে, তা ট্রাম্পকে পুরোপুরি সন্তুষ্ট করবে কি না, সে বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। কারণ, ট্রাম্প ভারতের কাছে “শুল্ক মুক্ত” বাণিজ্য সুবিধা চেয়েছিলেন, যা এখনো কার্যকর হয়নি।
ভারতীয় মোটরসাইকেল বাজারে প্রভাব
ভারতের এই শুল্ক কমানোর ফলে মার্কিন ব্র্যান্ডগুলো ভারতীয় বাজারে সহজে প্রবেশ করতে পারবে। বিশেষ করে বিলাসবহুল ও হেভিওয়েট মোটরসাইকেলের দাম কিছুটা কমতে পারে, যা বাইকপ্রেমীদের জন্য সুখবর হতে পারে।
এই সিদ্ধান্ত ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সম্পর্কে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, তা দেখার বিষয়। তবে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।